বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব

স্টাফ রিপোর্টার::
বাংলা নববর্ষ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, ‘এটি বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। এই উৎসবে বাংলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-মুসলমানসহ সকল ধর্মাবলম্বীর মিলন ঘটে।’
নগরীর রীমা কনভেনশন সেন্টারে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগ ২৫তম ব্যাচের উদ্যোগে শনিবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, ‘এই মিলনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ অসাম্প্রদায়িক উৎসব প্রকাশ পায়। মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। একদিকে কৃষকদের খাজনা, মাশুল ও শুল্ক প্রদানে সুবিধার জন্য, অন্যদিকে আকবরের সিংহাসনে আরোহনের দিনটিকে স্মরণীয় রাখার সংকল্পে এই সনের প্রবর্তন করা হয়। প্রবর্তনকালে সনটি ফসলি সন হিসেবে চিহ্নিত হলেও পরবর্তীকালে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
দেশ- বিদেশে বাংলা ভাষাভাষি মানুষ অসীম ভালবাসায় পহেলা বৈশাখের প্রথম সকালে বাংলা নববর্ষ উৎসব পালন করে আসছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘পুরানো বছরের গ্লানি মুছে ১৪২৫ বঙ্গাব্দ সবার জন্য ভালো ও আনন্দে কাটুক।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. খুরশিদুর রহমান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ল’ অ্যালোমনাই অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান ও সাবেক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে নগরীর হাজারী লেইনের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভবন থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ ছাড়াও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক ক্লাব বর্ষবরণ উপলক্ষে আলপনা উৎসবের আয়োজন করে। আলপনা এঁকে নগরীর প্রবর্তক মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের মূল ফটকসহ ভবনটির কিছু অংশ ও পুরো প্রবর্তক মোড় মোহনীয় করে তোলা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*