শিক্ষার মানোন্নয়নকে আরো গতিশীল করতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে কঠোর নির্দেশ দিলেন মোহাম্মদ ফোরকান উল্লাহ চৌধুরী

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়া :: দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্টান সরকারীকরণে অন্তভুক্ত দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ ফোরকান উল্লাহ চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন করে আসছে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও এসএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এই বিদ্যালয়। এসএসসি পরীক্ষায় ২৫৪জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৩জন শিক্ষার্থী পাশ করেছেন। ৪০জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশের হার ৯৬.২৯। কিন্তু বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ ফোরকান উল্লাহ চৌধুরী এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তিনি এই ফলাফলে সন্তুষ্ট নয়।আগামী বছরে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় তিনি শতভাগ পাশের আশাবাদী।
গত ১২মে সকালে বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে ছুটে আসেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা মরহুম আশরফ আলী চৌধুরীর সুযোগ্য দৌহিত্র, বিদ্যালয়ের সভাপতি শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ ফোরকান উল্লাহ চৌধুরী। তিনি প্রতিটি ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে গুরুত্বপুর্ণ কথা বলেন।একই দিন দুপুরে বিদ্যালয়ের হল রুমে সকল শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের সাথে এক বিনিময় করেন।মত বিনিময় সভায় উপস্হিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার সমশুল আলম,বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন,বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাস্টার আকতার কামাল চৌধুরী,মরহুম আলী চৌধুরীর দৌহিত্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী এবং সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ ফোরকান উল্লাহ চৌধুরী বলেন,বিদ্যালয়ের সুনামকে আরো অগ্রসর করতে হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদেরকে মনোযোগ সহকারে পাঠদান করাতে হবে। কারণ শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর।শিক্ষার্থীদেরকে ভালভাবে পড়ালেখায় মনোযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
আমি চাই এই বিদ্যালয়টি দক্ষিণ চট্টগ্রামের শ্রেষ্ট বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করুক।তিনি আরো জানান,এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলে তিনি সন্তুষ্ট নয়।আমি চাই এই বিদ্যালয়ের শতভাগ পাশ করুন।এই বিদ্যালয়টি আমার দাদা মরহুম আশরাফ আলী চৌধুরীর নামে।বিদ্যালয়ের জন্য যেকোন ধরণের ত্যাগ স্বীকার করতে তিনি প্রস্তুত।বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, সুনাম এবং শিক্ষার মানোন্নয়নকে আরো গতিশীল করতে সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দদেরকে কঠোর ভাবে তিনি নির্দেশ প্রদান করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*