লাকি প্লাজার বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানে অভিযান ও জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:;
প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ আছে ঠিকঠাক, প্যাকেট খুলতেই দেখা গেলো ভেতরে মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিক পন্য রেখে দেয়া হয়েছে। ভোক্তারা মোড়কের গায়ে সঠিক মেয়াদ দেখে পন্য কিনবেন, হবেন প্রতারিত। “ম্যাক” “রেভলন” নামক বিখ্যাত ব্রান্ডের কসমেটিকস, আন্তর্জাতিক বাজারেই যার মূল্য বেশ চড়া, সেই পন্য বিক্রি হচ্ছে একশ থেকে দুশ টাকায়। পণ্যের গায়ে নেই কোন উৎপাদনের তারিখ, নেই মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও। এমনই অভিনব প্রতারণার চিত্র দেখা গেল চট্টগ্রাম নগরীর লাকি প্লাজার বিভিন্ন কসমেটিকসের দোকানে। ১০ জুন (রবিবার) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে উঠে আসে এমন চিত্র। ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনায় গিয়ে দেখতে পান, লাকী প্লাজার বিভিন্ন কসমেটিকস এর দোকানে যে সব পন্য বিক্রি হচ্ছে, তার উৎপাদনের তারিখ নেই, নেই মেয়াদ উত্তীর্নের তারিখ। অথচ কসমেটকস এর মত স্পর্শকাতর পন্যে উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদোত্তীর্নের তারিখ থাকা বাধ্যতামূলক। ধারনা করা হচ্ছে বিদেশী নামিদামি বিভিন্ন ব্রান্ডের পন্যের নকল করে এই পন্য বাজারে ছাড়া হয়েছে, এই কারনে কোন মেয়াদ উল্লেখ নেই, সত্যিকারের বাজার মূল্যের চেয়ে পন্যগুলোর মূল্য অস্বাভাবিক কমও। এছাড়াও বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিক জব্দ করা হয় ও পরবর্তীতে তা সবার সম্মুখে ধ্বংস করা হয়। দুটি দোকানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারা মোতাবেক পৃথকভাবে ৬০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশের ইবনে হালিম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*