চন্দনাইশে অবিরাম ভারী বর্ষণে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি

চন্দনাইশ সংবাদদাতা :: গত ২দিনের টানা ভারী বষণের চন্দনাইশ উপজেলার নিম্ম অ লে প্লাবিত হয়েছে। অবিরাম বর্ষণে ও পাহাড়ী ডলের পানিতে উপজেলা সবকটি ইউনিয়নের কৃষকদের রোপন করা ক্ষেত ও রকমারি ফসল পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে। এতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষদের বরাদ দিয়ে জানা গেছে। এ ব্যপারে উপজেলা সাতবাড়িয়া ০৫ নং ওয়ার্ডের কৃষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন জানান, গত ২দিনের টানা ভারী বষণের তার ১৫গন্ডা জমির কাঁচা মরিচ পানির নিছে তলিয়ে গেছে। এতে তার ২০/৩০ হাজার টাকা ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে সে জানান। অপর দিকে হাশিমপুর নুরুল হক কৃষক, তার রোপন করা বিভিন্ন ক্ষেতেরে মধ্যে কাঁচা, ঢেরশ পানির নীচে তলিয়ে গেছে। তা ছাড়া পৌরসভার উপজেলার দক্ষিণ গাছবাবড়ীয়া ০৫ নং ওয়ার্ডের কৃষক মোহাম্মদ বখতেয়ার উদ্দীন জানান, তার রোপন করা কাঁচা মরিচ, ঢেরশ, বেগুন, চিনা বাদাম, ফেলং সহ পানিতে ডুবে তার ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। এ বছরে দফায় দফায় বন্যার পানিতে কৃষকদের ফসলি ক্ষেত খামারে ব্যপক ক্ষয় ক্ষতিতে কৃষকেরা তাদের আয় ব্যায় পুষিয়ে আসতে হিমশিম খাচ্ছে। এ ব্যাপারে চন্দনাইশ উপজেলার কৃষকলীগের সভাপতি হুমাযুন কবির জানান, কৃষক বাঁচলে দেশের জনগণ বাঁচবে কৃষকেরা সারাদিন রোদ,বৃষ্টিতে শ্রম দিয়ে তারা জমি থেকে ফসল উৎপাদন করে থাকে। সরকার, প্রশাসন সহ আমাদের সকলে উচিৎ কৃষদের প্রতি সদাসর্বদা সার্বিক সহযোগীতা করা । দফায় দফায় কৃষকদের এ বন্যার ক্ষতির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। এ ব্যাপরে চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুম মোয়াজ্জেমার সাথে এ প্রতিবেদক মোবাইল ফোনে আলপকালে তিনি জানান গত কাল ১২ জুন মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৪ হেক্টর আউশ ধান ও ৬১৫ হেক্টর রহমারি কাচ তরিতরকারি ফসল ক্ষয়ক্ষতির রিপোট পেয়েছেন বলে তিনি জানান। তিনি কৃষকদের এ ক্ষয় ক্ষতির জন্য দুঃক প্রকাশ করে বলেন, সরকারিভাবে যা সাহয্য আসবে তা নিয়ে কৃষকদের পাশে দাড়াবেন এবং কৃষকদের সার্বিক সহযোগীতা করার জন্য সচেষ্ঠ আছেন। চন্দনাইশ উপজেলা ফসলি জমি পানির নীচে তলিয়ে যাওয়া এ সব পানি দ্রুত নেমে গেলে কিছু কিছু কৃষকের স্বস্তি ফিরে আসতে পারে বলে মন্তব্য করছেন কৃষকেরা সাতবাড়ীয়া, বৈলতলী, বরকল, সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে। তা ছাড়া কোন কোন এলাকায় মাছ চাষীদের মাছের খামার পানিতে তলিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*