বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া চ্যানেলে ৭ ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি আহত ৩০


কক্সবাজার প্রতিনিধি::
বঙ্গোপসাগরে মহেশখালী সোনাদিয়া চ্যানেল জলদস্যু বাহিনী ডাকাতি কর্তৃক মহেশখালীর মাছ ধরার ৭টি ফিশিং ট্রলার গণডাকাতি সহ ৩০ মাঝি মাল্লাকে আহত করার অভিযোগ তুলেছে মহেশখালী উপজেলার ফিশিং বোট মালিক পরিচালনা কমিটির মালিক সমিতির নেতারা।
মহেশখালী উপজেলা ফিশিং বোট পরিচালনা কমিটির সূত্র জানাযায় গত কয়েক দিন আগে মহেশখালী উপজেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির আব্দুল মোনাফের মালিকানাধীন এফবি শাহেদ, মোহাম্মদ রফিকের মালিকানাধীন এফবি রাফিয়া মণি ছালা উদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি আল্লাহর দান রকিব উল্লাহ মারিকনাধীন এফবি ফয়সাল
সিরাজ উল্লাহ মালিকনাধীন এফবি আল্লাহ দান গিয়াস উদ্দিনের মালিকনাধীন এফবি মায়ের দোয়া সর্বসাং মহেশখালী পৌরসভাস্থ ০৯ নং ওয়ার্ড মহেশখালী কক্সবাজার।
নুরুল আলম মেম্বারের মালিকনাধীন এফবি মায়ের দোয়া সাং মোহাম্মদ পুর তেলীপাড়া ছোট মহেশখালী গণের সহ উল্লেখিত ফিশিং বোট সাগরে মাছ ধরতে যায়। গত ০৫ জানুয়ারি রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় ফিশিং বোট গুলো বঙ্গোপসাগর হইতে মাছ ধরিয়া মহেশখালী আসার পথে সোনাদিয়া দক্ষিণ পার্শ্বে মহেশখালী চ্যানেলে পৌছিলে অজ্ঞাত নামা ২০/৩০ জন জলদস্যু অতর্কিত হামলা করিয়া উল্লেখিত ফিশিং বোটে উটিয়া ফিশিং বোটে থাকা মাঝি মাল্লাদেরকে মারধর করে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। জখম প্রাপ্ত প্রায় ৩০ জন মাঝি মাল্লা কক্সবাজার জেলাস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। আহতের মধ্যে চল্লাত মাঝি এর অবস্থা গুরুতর বলে জানাযায়।
অজ্ঞাতনামা জলদস্যুরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করিয়া ফিশিং বোটগুলির সাগর হইতে দৃত মাছ ও বোটে থাকা অন্যান্য সরঞ্জামাদি লুটপাঠ করিয়া নিয়া যায়।
গত বছরে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ এর কাছে
মহেশখালীতে সাগরে জলদস্যু ডাকাত সন্ত্রাসীদের ৬ বাহিনীর ৪৩ জন আত্মসম্পর্ণ করলে ও জলদস্যুর বিশাল একটি অংশ এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে।
চলতি মৌসুমে সাগরে জলদস্যুদের কটোর হস্তে দমন করার জোর দাবী জানালেন মহেশখালীর সচেতন মহল।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুগণ ফিশিং বোট গণ ডাকাতি করায় উহার প্রতিকার চেয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহেশখালী উপজেলা ফিশিং বোট পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জালাল আহমদ সহ মহেশখালী ফিশিং বোট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
একই ভাবে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। ট্রলার মালিকগণের সহযোগীতায় জলদস্যুদের চিহ্নিত করে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*