মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে , খোলা চিঠি


সদাশয় সরকার স্বপ্রণোদিত হয়ে বিগত ০৮/১২/২০১৮ইং, তারিখে অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবি যারা শতভাগ পেনশন সমর্পন করেছিলেন তাদের অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর সময়কাল অতিবাহিত হলে তাদেরকে পেনশনে পুন: প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, ২০০৯ পূর্ব সময়ে অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবিদের অবসরে যাওয়ার সময়কালে তাঁদের মুল বেতনের ২০% কেটে রেখে ৮০% ভিত্তি ধরে ৮ বছর ৪ মাস এর আর্থিক সুবিধা দিয়ে পেনশন নিষ্পত্তি করা হতো। (যা বর্তমানে ১০% কেটে ৯০% ভিত্তি ধরে পেনশন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে)। উক্ত ৮ বছর ৪ মাস অতিক্রান্ত হবার পর শতভাগ পেনশন সমর্পনকারী অবসর প্রাপ্ত চাকুরীজীবিগণ দায়মুক্তি লাভ করত: স্বাভাবিকভাবেই পেনশনে পুন: প্রত্যাবর্তনের যোগ্যতা অর্জন করেন। এক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছরের বাধ্যবাধকতার ফলে ২০০৪ইং থেকে ২০০৮ইং সাল পর্যন্ত অবসর প্রাপ্ত শতভাগ পেনশন সমর্পনকারী চাকুরীজীবি যারা ইতিমধ্যে ১০ থেকে ১৪ বছর অতিবাহিত করেছেন তাদের বিষয়টি আমলে আনার কোন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না হওয়ায় তাদের জীবদ্দশায় আলোচ্য পেনশন পুন: প্রত্যাবর্তনের সুবিধা ভোগ করা আদৌ সম্ভব হবে কি না আশংকা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত: ২০০৪ইং থেকে ২০০৮ইং সালে অবসর প্রাপ্ত চাকুরীজীবিদের বেতন স্কেল এতই নিম্নতম পর্যায়ে ছিল যে তারা অবসরোত্তর আর্থিক সুবিধাদিও পেয়েছেন অতি নগন্য। বৃদ্ধ বয়সে জীবন-জীবিকা নির্বাহসহ রোগ চিকিৎসার্থে প্রাপ্ত টাকা খরচ হয়ে আর্থিক সংকটে নিপতিত হয়ে দৈন্যদশায় মৃত্যুর প্রহর গুণতে হচ্ছে।

বিনীত
সুকান্ত মজুমদার
অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার

বিনীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*