লাল মরিচে ভরপুর ঐতিহ্যবাহী ফকির হাট

এনামুল হক নাবিদ:: আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব প্রান্তে ১০ নং হাইলধর ইউনিয়নের যে সবকটি হাট- বাজার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ফকির হাট। ইতিহাস ঐতিহ্যগত এই বাজারটির বেশ নাম ডাক রয়েছে সেই সময় থেকে।
মালঘর বাজার হতে দক্ষিনে সাঙ্গুর তীরবর্তী দৌলত কাজীর মাজার সংলগ্ন বাজারটি কে ফকির দৌলত কাজীর নাম অনুসারে ফকির হাট নামে পরিচিত সর্বাধিক।
বাজার সংলগ্ন সাঙ্গুর তীরবর্তী রয়েছে উপজেলার সবজির প্রাণকেন্দ্র ফকিরার চর।
এই চর এলাকার সবজির জন্য প্রসিদ্ধ এই বাজারটি।
এবারে চর এলাকায় মরিচের বাম্পার হওয়ায় লাল মরিচে চেয়ে গেছে ফকির হাট। বাজার বসার শুরু থেকে লাল মরিচে ভরপুর হয়ে উঠছে বাজার।
সপ্তাহের শুরু শনিবার আর মঙ্গলবারে বসে এই বাজারটি।তবে শুকনো মরিচ বেচা বিক্রির মৌসম আসলে বার ছাড়াও চলে লাল মরিচ বিক্রির ধুম।
বিগত সপ্তাহ দুই সপ্তাহ ধরে লাল মরিচ ভরপুর হয়ে উঠাই লাল মরিচের বাজারে পরিনত হয়েছে ফকির হাট।
নির্দিষ্ট বাজার ছাড়াও প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাজারে বিক্রি হচ্ছে শুকনো মরিচ।১৮০টাকা থেকে ২০০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি লাল মরিচ। পার্শ্ববর্তী গ্রামের লোক ছাড়াও শহর থেকে প্রতিদিন ছুটে আসছে মরিচের বড় বড় পাইকারী ব্যবসায়ীরা।
খুচরা ব্যবসায়ীদের থেকে মরিচ ক্রয় করে টলি,মিনি পিকআপ করে ফকির হাটের লাল মরিচ যাচ্ছে উপজেলার বাইরে। মরিচ বিক্রি করতে আসা আব্দুল মাবুদ বলেন,তুলনামূলক দাম ভালো থাকায় আমরা মরিচ বিক্রি করে পেলছি। সারা বছর মরিচের দাম উঠানামা হয় আর মৌসমে মরিচের প্রতি শহর থেকে আসা পাইকারী ব্যাববসায়ীরা এই মরিচের প্রতি চাহিদা বেশি থাকে। মরিচের দাম ভাল থাকায় চর এলাকার কৃষকরা মরিচ বিক্রি করে বেশ লাভ হচ্ছে বলে জানান এখানকার কৃষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*