চকরিয়ায় বহাদ্দারকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনিয়ম যেন ভুঁতুড়ে বাড়ীর শৃঙ্খলা

বি এম হাবিব উল্লাহ :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিএমচর-বহাদ্দারকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে জুনিয়ররা সিনিয়র হতে মরিয়া, প্রতিনিধিরা ষড়যন্ত্রে ও ক্ষিার্থীরা মিছিলে এবং পাঠদানে শুন্যস্থান? এমনটিই চলছে এ বিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম। প্রকৃত শিক্ষকদের ওপর বেশি কর্তৃত্ব দেখান অযোগ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির স্ব-শিক্ষিত গুটি কয়েক লোক এবং বিদ্যালয়ের অযোগ্য এবং আত্নীয়তার সুত্রে চাকুরী পাওয়া কিছু শিক্ষকও। আদর্শিক দিক থেকে সকলের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে উচিত মেধা নির্ভর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত করে শিক্ষা সম্পর্কিত ব্যক্তিদের স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সংযুক্ত করা। তখন শিক্ষকরাও অনুপ্রাণিত হবেন, সাথে স্বাধীন থাকবেন তারা এবং এ যাত্রায় স্বীকৃতিও পাবেন ওইসব প্রকৃত শিক্ষকরা। সকলের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের স্মরণ রাখা উচিত, একজন শিক্ষককে সম্মান দিতে হবে। যাতে শিক্ষক সেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়া লেখায় কীভাবে পাঠ দিতে হবে? সেই বিষয়ে যেন নেতৃত্ব দিতে পারেন তারা। অনেক সময় দেখা যায়, রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণে ব্যবস্থাপনা কমিটির অশিক্ষিতরা শিক্ষকদের ওপর বেশি কর্তৃত্ব ফলান। শিক্ষকদের সম্মান দেয়ার মত শিক্ষিত লোক ব্যবস্থাপনা কমিটিতে নিযুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে এমন মন্তব্য সচেতন মহলের। শুধু পড়া লেখায় সার্টিফিকেট রেখে নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মকান্ড নেহাত এসব ভন্ডামিরও সামিল। কর্তৃত্ব এবং নের্তৃত্ব, অন্যদিকে পদে পদাসীন হওয়া কিন্তু নিয়মে থেকে সুধুর সময়ের অক্ষোয় থাকার নামই নিয়মানুবর্তিতা এবং একজন আদর্শ শিক্ষকের নিয়মিত পথচলা হওয়া উচিৎ। অযোগ্য হয়েও আপনি অন্যের পদে আসীন হওয়ার স্বপ্ন এবং ষড়যন্ত্র এসব কিন্তু লজ্জাষ্কর। এ ধারাবাহিকতায় চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের বহাদ্দারকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিসেস জিন্নাত সোলতানা মিরার অসুস্থতার সুযোগে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব জাফর আলম এমপিকে ভুল বুঝিয়ে, বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছেন বিদ্যালয়ের বেশ ক’জন শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিঠির অসাধু একটি সংঘঠিত কু-চক্রী মহল। তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে মহিলা হওয়ার সুযোগে তাকে রতিমিত মানসিক চাপে রেখে, বিদ্যালয় থেকে তাকে অপসারন করে ওই বিদ্যালয়ে সরকার বিরুধি কর্মকান্ডে লিপ্ত একজন শিক্ষককে নিয়োগ প্রদানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন ওইসব মহল। সম্প্রতি শিক্ষিকা মিসেস জিন্নাত সোলতানার অসুস্থতার সুযোগে এহেন আচরণ করে বিপদগামী শিক্ষক ও অসাধু কমিঠির সদস্যরা। বিগত ১ অক্টোবর ২০১৮ ইং তারিখ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিঠির এক সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ঘোষিত আদেশ মোতাবেক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়ীত্বভার দেয়া হয় মিসেস জিন্নাত সোলতানাকে। ইতিপুর্বে তিনি এ বিদ্যালয়ে অন্তত ৭ বছর সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়ীত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত নিষ্টার সাথে। কেবল তিনিই প্রধান হিসেবে দায়ীত্ব নেয়ার পর থেকেই বহাদ্দরকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ম সৃংখলা ফিরে এনে পড়া লেখার মান উন্নতি করে গোটা চকরিয়ায় সুনাম অর্জন করে আলোচিত হন। নারী জাতের গর্বের বিষয়, এ অঞ্চলে অন্তত ৬০ টি নিন্ম মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে তিনিই একমাত্র মহিলা প্রধান শিক্ষিকা। এটাই তার অপরাধ? তাই এ বিদ্যালয়ের কিছু অসাধু ও পদলোভি শিক্ষক তার পিছনে উঠে পড়ে লেগে প্রতিনিয়তই তাকে অসহযোগিতা এবং বিদ্যালয়ে বিসৃংখলা এবং ছাত্র আন্দোলনের মতো ন্যাক্কার জনক ঘটনা ছাড়াও সরকারী আদেশবলে বিভিন্ন সরকারী অনুষ্ঠান বাস্তবায়নেও এসব শিক্ষক বিদ্রোহ করে অনুষ্ঠান বানচাল করার মতো গুরতর অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারী ২০১৯ তারিখ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য শিক্ষক প্রতিনিধি রফিক উদ্দিন সহ ওইসব শিক্ষকদের মধ্যে কমিঠি গঠন করে দেয়া হলেও তারা গৃহিত সিদ্ধান্তে দস্তখত না করেই উক্ত অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করতে দেয়ানি। বিগত ১৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক বৈশাখি অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করতেও দেয়নি ওই শিক্ষকরা। এসব শিক্ষক স্থানীয় এবং সিনিয়র শিক্ষক রফিক উদ্দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি। এ কারনেই প্রতিনিয়ত তারা বিদ্যালয়ের শ্রেণী কার্যক্রমে বিগ্ন ঘটিয়ে যা ইচ্ছা তা করে ক্ষমতার অপ ব্যাবহার করে যাচ্ছে। পাশাপশি বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত হননা তারা। বিগত ৬ ও ১৭ ফেঢব্রুয়ারী স্টপ গ্যাপ রুটিন এ দালিলিক ভাবে তা দৃশ্যমানও। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ এবং শিক্ষক সমন্বয়ে মিটিং-এ বেশ ক’বার এ নারী শিক্ষিকাকে তেড়ে এসে মারার চেষ্টাও করেন রফিক ও তার দল। এদিকে বিগত ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষক বিভাজন এবং ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে উস্কানি মুলক আলোচনা করে ক্ষেপিয়ে বেশ ক’বার বিদ্যালয়ের ভেতর বাইরে মিছিল বের করে বিদ্যালয় গেইটে তালা লাগানো হয়। বিগত ১ অক্টোবর ২০১৮ ইং তারিখ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিঠির এক সভায় গৃহিত সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ঘোষিত আদেশ মোতাবেক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়ীত্বভার দেয়া হয় মিসেস জিন্নাত সোলতানাকে। কেবল তিনি দায়ীত্ব নেয়ার পর থেকেই বহাদ্দরকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ম সৃংখলা ফিরে এনে পড়া লেখার মান উন্নতি করে গোটা চকরিয়ায় সুনাম অর্জন করে আলোচিত হন তিনি।
নারী জাতের গর্বের বিষয়, এ অঞ্চলে অন্তত ৬০ টি নিন্ম মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে কেবল তিনিই একমাত্র মহিলা প্রধান শিক্ষিকা। এটাই তার অপরাধ? এ যাত্রায় এ বিদ্যালয়ের কিছু অসাধু ও পদলোভি শিক্ষক তার পিছনে উঠে পড়ে লেগে প্রতিনিয়তই তাকে অসহযোগিতা এবং বিদ্যালয়ে বিসৃংখলা এবং ছাত্র আন্দোলনের মতো ন্যাক্কার জনক ঘটনা ছাড়াও সরকারী আদেশবলে দেশের বিভিন্ন সরকারী অনুষ্ঠান বাস্তবায়নেও এসব শিক্ষক বিদ্রোহ করে অনুষ্ঠান বানচাল করার মতো গুরতর অভিযোগ রয়েছে। এসব শিক্ষক স্থানীয় হওয়ার কারনেই প্রতিনিয়ত তারা বিদ্যালয়ের শ্রেণী কার্যক্রমে বিগ্ন ঘটিয়ে যা ইচ্ছা তা করে ক্ষমতার অপ ব্যাবহার করে যাচ্ছে। এদিকে বিগত ৬ মাসের মধ্যে শিক্ষক বিভাজন এবং ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে উস্কানি মুলক আলোচনা করে ক্ষেপিয়ে বেশ ক’বার বিদ্যালয়ে ভেতর বাইরে মিছিল বের করে বিদ্যালয় গেইটে তালা লাগানো হয়। এ সময় এ বিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত আরো একটি সরকারী প্রাথমিকব বিদ্যালয় এবং একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুৃলেও শিক্ষার্থীদের লেখা পড়ায় বিগ্ন সহ রাজপথের মিছিলের দৃশ্য স্থাপন করা হয় ওখানে। সুত্র জানায়, এসবের পেছনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিঠির কয়েকজন সদস্য ও বেশ ক’জন শিক্ষক রয়েছে। যারা সরকার বিরুধি কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। অভিযোগে প্রকাশ, বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্টকারীদের মধ্যে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে দাড়িয়ে সদস্য হওয়ার জন্য শাহা আলম নামের এক অভিভাবক সদস্য কৌসলে তার ছেলে শোয়াইব আলম পারদিনকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করে। অথচ, এ ছাত্র এক সপ্তাহ মাত্র বিদ্যালয়ের ছষ্ট শ্রেণীতে।ছিল। ভর্তির পর হাজিরা খাতায় নাম উঠলেও প্রকৃত পক্ষে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে ভর্তি হয়নি এ ছাত্র। অভিভাবক না হয়েও এ শাহা আলম কিভাবে ম্যেনেজিং কমিঠির সদস্য হয়? সরজমিন দেখা যায়, বর্তমানে ওই ছাত্র বিএমচর অনুশীলন একাডেমীতে অধ্যায়নরত। একই ভাবে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্টকারীর মুল হুতা শিক্ষক রফিক উদ্দিনের ছেলে রাহাতও অনুশীলন একাডেশীতে পড়ছে। অথচ তিনিও এখানের শিক্ষক। অনুসন্ধানে গিয়ে জানা যায়, বিগত ১৭ ফেব্রুয়ারী ১৯ তারিখ প্রধান শিক্ষক জিন্নাত সোলতানা সরকারী বিলপত্র স্বাক্ষর নেয়ার জন্য কমিঠির সভাপতি জাফর আলম এমপির কাছে গেলে. ওই দিন শিক্ষক এনামুল হক, নুর মোহাম্মদ ও রফিক উদ্দিন বিদ্যালয়ের উপস্থিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বিদ্যালয় ফাকিঁ ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান না করে স্থানীয় বিএমচর ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আলমের বাড়ীতে চলে যান। যেখানে ষড়যন্ত্র করেন, কিভাবে আধিপত্য বিস্তার করা যায় এ বিদ্যালয়ে। অন্যদিকে যে সব শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিদ্যালয়ে মিছিল বের করা হয়, তারা একজন আওয়ামীলীগ নেতার ছেলে, একজন অভিভাবক সদস্যের ছেলে ও অন্যজন শিক্ষকের ছেলে সহ সরকার বিরুধি প্রচারে ব্যাস্ত কিছু অশিক্ষিত অভিভাবক এবং নেপথ্যে শিক্ষকদের ছেলে মেয়েরা। পরিতাপের বিষয়, এসবের সাথে যোগ হয়েছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আলমও। জাহাঙ্গির চেয়ারম্যান ম্যানেজিং কমিঠির সভাপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভুর হয়ে উঠেছেন সম্প্রতি। অথচ তিনি ভেওলা মানিকচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিঠির বর্তমান সভাপতিও বটে। তিনি রিতীমত মরিয়া হয়ে উঠেছেন বহাদ্দারকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিঠির বর্তমান সভাপতি এমপি জাফর আলমের সাথে ট্যাক্কা দিয়ে তাকে অপসারণ করে তিনি নিজেই এ বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার মিশনে নেমে ওইসব কু-চত্রী মহলের সাথে ইন্দনে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। এরই ধারাহিকতায় বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিন্নাত সোলতানাকে অপসারণ করে তার স্থলে চেয়ারম্যানের মনোনীত সহকারী প্রওধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদকে স্থলাভিসিক্ত করার ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এ কু-মানসে অপর শিক্ষক রফিক উদ্দিন ও এনামুল হক সহ একটি সিন্ডিকেট তৈরী করে নিয়মের বাইরে এসে গত ১৩ মে দৈনিক আজাদী পত্রিকায় অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষক পদের জন্য শিক্ষক চেয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাপানো হয়। তবে এ কাজে জিন্নাত সোলতানা বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত দাবী করে জেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে গোপনে তারা একটি ভিন্ন পন্থায় অনুমতিও নিয়ে নেয়। খোজ নিয়ে জানা যায়, এ সময় জিন্নাত সোলতানা শারিরীক অসুস্থতার কারনে প্রথমে চকরিয়া সরকারী হাসপাতাল, মা-শিশু হাসপাতাল চকরিয়া ও পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত সিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের শেভরণ হাসপাতালে সিকিৎসাধিন থাকায় ৪ মে পর্যন্ত তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। এতেও শেষ নয়। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অবৈধ পন্থায় বিদ্যালয়ের রেজুলেশন খাতায়ও সদস্যদের দস্খত আদায় করে তাকে অপসারণের ব্যার্থ চেষ্টা করে তারা। শিক্ষক রফিক উদ্দিন নুর মোহাম্মদ ও অন্যরা প্রধান শিক্ষককে কোন ভাবে হারাতে না পেরে শেষ মেষ গত ২৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ তিনি (জিন্নাত সোলতানা) সরকারী শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিবের অনুষ্ঠানে যোগদানে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠে যাওয়ার পথে ওই দিন ২৫ এপ্রিল হঠাৎ ভোররাতে শারিরীক অসুস্থতার (ডারিয়া) কারনে প্রধান শিক্ষক জিন্নাত সোলতানা চকরিয়া মা-শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। ফলে অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া হয়নি তার। পরে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রামে সিকিৎসাধিন থাকার সুযোগে, ওই দিন বিদ্যালয়েংর দশম শ্রেণীর ছাত্র মোর্শেদুল ইসলাম রাফি, পিতা নুরুল আমিন অংকু, মুনতাসিরুল ইসলাম, পিতা-মাহবুবুল ইসলাম, শফিউল্লাহ জামি, পিতা মাহমুদুল্লাহ, আহমদ উল্লাহ, পিতা-ফয়েজ আহমদ লালু, নাদিয়া সোলতৈানা, পিতা-নাসির উদ্দিন, তাজরিয়া সোলতানা, পিতা-এনামুল হক, নুসরাত জাহানি পিংকি সহ আরো অন্তত ২০/৩০ জন কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে উস্কানি দিয়ে তাদের ব্যাবহার করে বিদ্যালয়ের সার্বিক সৃংখলা বিরুধি, এমনকি সরকারী নির্দেশনার বাইরে এসেই এসব শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে দিয়ে বিদ্যালয়ের গেটে তালা মেরে বিক্ষোভ মিছিল করানো হয়। এদিন কোনভাবেই শিক্ষার্থীদেরে পড়া লেখা হয়নি। এ সময় পার্শ্বের আরো ২টি বিদ্যালয়ের পড়া লেখার পরিবেশও নষ্ট করে তারা। এদিকে চলতি রমযান মাস উপলক্ষে বিগত ৫ মে বিদ্যালয়টি ১ মাস বন্ধ্যের দিন ধার্য্য ছিল। বন্ধ পুর্ববর্তী বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি বাধ্যতামুলক থাকলেও ওইসব শিক্ষকরা কোনভাবেই উপস্থি ছিলনা। এ সময় গুলোতে অসহায় এ শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে বেশ ক’বার ওইসব কোমলমতি বিপদগামী শিক্ষার্থীদের দিয়ে তাকে সড়ক পথে অবরুধ, অশালীন আচরণ, মানসিকভাবে লাঞ্চিত করার মতো গুরতর অভিযোগও তুলছেন তিনি। বর্তমানে তিনি মারাত্নকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করছেন। তিনি দাবী করেন, মহিলা হওয়ার সুযোগেই এসব শিক্ষকরা তার সাথে এমন বিরুপ আচরণ করে তাকে বিদ্যায় থেকে বিতাড়নের একটি সুক্ষ চক্রান্ত করে যাচ্ছেন ওইসব শিক্ষক নামধারী ষড়যন্ত্রকারীরা। এসবের মুলে যিনি রয়েছেন, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ। তিনি প্রধান শিক্ষকের পদে স্থলাবিষিক্ত হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন দীর্ঘদিন ধরে। এ ব্যাপারে জিন্নাত সোলতানা চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও। মোবাইল ফোনে আলাপ কালে শিক্ষক নুর মোহাম্দ জানান, তার কোন অভিযোগ নেই এবং তার বিরুদ্ধেও নয়। শিক্ষক রফিক উদ্দিনঃ সরজমিন-তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে সোমবার তিনি চেয়ারম্যানের বাড়ীতে গিয়ে বসে থেকে প্রতিবেদককে এড়িয়ে যান। চেয়ারম্যান এ নিয়ে তেমন মন্তব্য করতে রাজি হননি। চকরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর পদ শুন্য অবস্থায় থাকায় চার্জে অধিষ্ট ওই অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার রতন বিশ্বাস জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা অবগত এবং অভিযোগও পেয়েছেন। তবে এটি তদন্তাধিন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*