টানা বৃষ্টিতে চন্দনাইশ উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মো. কমরুউদ্দী, চন্দনাইশ প্রতিনিধি :: টানা তিনদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে এবং পাহাড়ি ঢলে চন্দনাইশ উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। গত ৮ জুলাই চন্দনাইশ পৌরসভার জিহস ফকির পাড়া এলাকায় বরুমতি খালের পানি উপচে পৌরসভার নয়াহাট, বড়পাড়া, হারলা, জিহস ফকির পাড়া, দক্ষিণ গাছবাড়িয়া, নাথপাড়া, সাহিত্যিকপাড়া, ফকির পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। এছাড়া পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় শঙ্খনদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যে নিম্না লের শত শত ঘরবাড়ী পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কসাই পাড়া এলাকায় মহাসড়ক ডুবে পানি প্রবাহিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এতে ব্যাহত হচেব যানবাহন চলাচল। শঙ্খনদী উপকূলীয় দোহাজারী, চাগাচর, রায়জোয়ারা, দিয়াকুল, কিল্লাপাড়া, জামিজুরী, পূর্ব দোহাজারী, কা নাবাদ, পশ্চিম এলাহাবাদ, শাহ্ সুফিপাড়া, মধ্যম পুুকুরপাড়, হাশিমপুর, চন্দনাইশ পৌরসভা, বরকল, বরমা, ধোপাছড়ির, ছাপাছড়ি, শামুকছড়ি, ছিড়িংঘাটাসহ চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে শঙ্খচরের হাজার হাজার একর সবজি ক্ষেত ও নিন্ম লের কয়েকটি মৎস্য প্রজেক্ট পানির নীচে ডুবে রয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মৎস্য চাষিদের। উপজেলার কোথাও কোথাও আউশের বীজতলাও পানির নীচে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
চন্দনাইশ উপজেলার জিহস ফরিকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে হাটু ও কোমর সমান পরিমাণ পানি জমে পড়ালেখা ব্যাহত হয়।
অপরদিকে চন্দনাইশ উপজেলার নয়াহাট এলাকায় কোমড় পরিমাণ পানি সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় নয়াহাটের বেশ কয়েকটি দোকানে পানি ঢোকে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। একইভাবে এ সকল এলাকায় বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করে এবং আশে-পাশে মৎস্য প্রজেক্ট প্লাবিত হয়ে ক্ষতির স্বীকার হয়েছে মৎস্য চাষীরা । বরকল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড পশ্চিম হারলা এলাকায় সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*