ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণদের সরাতে চট্টগ্রামে মাইকিং


স্টাফ রিপোর্টার::
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় এবং পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করা লোকজনকে সরাতে মাইকিং কার্যক্রম শুরু করেছে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন।
শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকে নগরের হালিশহর, পতেঙ্গা, ফিরিঙ্গিবাজার, পাথরঘাটা ও কাট্টলীর উপকূলীয় এলাকা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসকারীদের সরাতে মাইকিং কার্যক্রম শুরু করে সিটি করপোরেশন।
চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক জানান, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের আগে দ্রুত লোকজন সরাতে করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ডে মাইকিং কার্যক্রম চলছে। এসব এলাকার লোকজন যাতে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে পারে সেজন্য পরিবহন পুলের ৪০টি গাড়ি পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় চসিকের পক্ষ থেকে ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৭টি মেডিক্যাল টিম গঠন এবং ৪টি অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখা হয়েছে। আঘাতের পর গাছপালা ভেঙে পড়লে রাস্তা থেকে তা দ্রুত সরাতে আধুনিক যন্ত্রপাতিও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নির্দেশে নগরের দামপাড়ায় চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (ফোন নম্বর: ০৩১-৬৩৩৬৪৯, ০৩১-৬৩০৭৩৯) চালু করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
এদিকে নগরের সরকারি-বেসরকারি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করা লোকজনকে সরাতে মাইকিং কার্যক্রম চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। পাহাড় থেকে সরে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, সকাল থেকে চান্দগাঁও, বাকলিয়া, সদর, আগ্রাবাদ এবং কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) নিজ নিজ সার্কেলের পাহাড় থেকে লোকজনকে সরাতে মাইকিং কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকজন যাতে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এসে থাকতে পারেন সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*